বাংলার গেজেট প্রতিবেদক : আত্মসাৎকৃত প্রায় ৩৭ লাখ টাকা ফেরৎ না দেওয়ায় খুলনা জেলা পরিষদের সাবেক প্রধান সহকারি মিজানুর রহমানের জামিন আবেদন না-মঞ্জুর করেছেন আদালত। রবিবার (২৬ জুন) মহানগর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মাহমুদা খাতুন জামিন না-মঞ্জুর করেন।
এর আগে আত্মসাত ঘটনায় তদন্ত শুরু হলে মিজান দুই কিস্তিতে জেলা পরিষদের কোষাগারে ১৩ লাখ টাকা ফেরৎ দেয়। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)’র আইনজীবী খন্দকার মজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন জামিনের শর্ত অনুযায়ী আত্মসাৎকৃত টাকা ফেরৎ না দেওয়ায় জামিন না-মঞ্জুর হয়েছে।
জানা যায়, ২০১২-১৩ থেকে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বিভিন্ন দরপত্র সিডিউল বিক্রি, খেয়াঘাটে ইজারা আদায় ও অননুমোদিত ভ্রমণ ভাতা বাবদ প্রায় ৫০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন মিজানুর রহমান। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হলে তিনি জেলা পরিষদের কোষাগারে ১৩ লাখ টাকা ফেরৎ দেন। ২০২০ সালে ১৩ ফেব্রুয়ারি মিজানকে গ্রেপ্তার করে দুদক।
এর আগে অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক তরুণ কান্তি ঘোষ বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলা নং-৩/২০২০।
এদিকে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় ২০২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর জেলা পরিষদ থেকে তাকে বরখাস্ত করা হয়। আইনজীবী খন্দকার মজিবর রহমান জানান, আত্মসাতকৃত পাওনা টাকা পরিশোধের সময় চেয়ে হাইকোর্ট থেকে তিনি জামিন নেন। কিন্তু দীর্ঘ এক বছরেও ওই টাকা পরিশোধ করেননি। এর মধ্যে গত সপ্তাহে হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করলে তা’ না-মঞ্জুর হয়। এরপর খুলনায় মহানগর বিশেষ জজ আদালতে জামিন আবেদন করলে বিচারক আবারও তা’ না-মঞ্জুর করেন।
বাংলার গেজেট/ এম এইচ