চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গায় শরীরে ফোসকা নিয়ে স্বাস্থ্যবিভাগের পর্যবেক্ষণে থাকা নারীর শরীরে মাঙ্কিপক্সের লক্ষণ পায়নি মেডিকেল বোর্ড। এটাকে ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াজনিত একধরনের চর্মরোগ, বলছে বোর্ড। তিনি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মেডিকেল বোর্ডের সভাপতি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের পরামর্শক ডা. আবুল হোসেন আজ শনিবার (১১ জুন) বেলা ১১টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তৃতীয় তলার একটি কক্ষে ওই রোগীকে আইসোলেশনে রাখা হয় এবং আজ শনিবার দুপুরে সেখান থেকে তাঁকে মেডিসিন ওয়ার্ডে আনা হয়।
এর আগে এ ঘটনায় সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আতাউর রহমান চার সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করেন। বোর্ডের অন্য তিন সদস্য হলেন—হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের পরামর্শক ওয়ালিউর রহমান নয়ন, ডা. খালিদ হাসান এবং ভারপ্রাপ্ত আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সোহরাব হোসেন।
মেডিকেল বোর্ডের সভাপতি আবুল হোসেন বলেন, ‘রোগীর শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহের পর আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে, এটি মাঙ্কিপক্স বা কোনো পক্সই নয়। তাঁর শরীরে যে ধরনের ফোসকা দেখা গেছে, তা সাধারণত ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় হয়ে থাকে। এটা একধরনের চর্মরোগ।’
চুয়াডাঙ্গায় এক নারীকে মাঙ্কিপক্স রোগী সন্দেহে গতকাল শুক্রবার সকালে আইসোলেশনে রাখে স্বাস্থ্যবিভাগ। তাঁকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সম্প্রসারিত ভবনের তিনতলার একটি কক্ষে রাখা হয়।
বাংলার গেজেট/এম এইচ