মোল্লাহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : “শিক্ষা ততক্ষন পর্যন্ত শিক্ষা নয়, যতক্ষন পর্যন্ত তা মানুষের অন্তর্নিহিত গুনাবলীর পরিবর্তন ঘটাতে না পারে। আমাদের একটি ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে যে, লেখাপড়া করে একটা ভাল চাকুরী পাওয়া আয় উপর্জন করাই শিক্ষার উদ্দেশ্য কিন্তু তা সঠিক নয়। আমরা সত্যিকারের শিক্ষিত হয়ে, সে শিক্ষাকে মানুষের কল্যানে বা দেশের কল্যানে কাজে লাগাতে পারি সে শিক্ষাই আমাদের গ্রহন করতে হবে। আমরা এ মূহুর্তে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মোকবেলা করছি। ২০৩০ সালে আমাদের দেশকে আমরা উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত করবো এবং ২০৪১ সালে এ দেশকে আমরা উন্নত দেশের কাতারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কাজ করে যাচ্ছি। পরিশেষে তিনি সকলকে উদ্দেশ্য করে বলেন “আমাদের জন্মভূমিকে আমরা আরো উন্নত করে রেখে যেতে পারি এই হোক আমাদের পণ। প্রত্যেকটি নাগরীককে তার সামার্থ্যনুযায়ী প্রশিক্ষিত করতে পারলে আমাদের দারিদ্রতার হার অনেক কমে আসবে। মাথাপিছু আয় বাড়বে, নারী/পুরুষ একসাথে কাজ করে আমাদের অর্থনীতি আরো মজবুত করতে হবে। তাহলেই একদিন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসাবে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে দাঁড়াবে।
বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলাকে আলোকিত ও মানবিক উপজেলা হিসাবে বিনির্মাণের লক্ষ্যে গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়, শ্রেষ্ঠ বতিঘর পাঠাগার ও শেষ্ঠ শেখ রাসেল পুষ্পকানন সৃজনকারী প্রতিষ্ঠানের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কথাগুলো বলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কে এম আলী আজম।
গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে, উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান। অনুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার, আলোকিত ও মানবিক মোল্লাহাট কর্মসূচির মূল পরিকল্পনাকারী মোঃ ওয়াহিদ হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনিন্দ্য মন্ডল।
অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্যদেন থানা অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাশ, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সেলিম রেজা, অধ্যক্ষ এল জাকির হোসেন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মফিজুর রহমান, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ কামাল হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান শিকদার উজির আলী, প্রধান শিক্ষক ফরিদ আহম্মেদ ও বরেন্দ্র নাথসহ বিভিন্ন সরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক বৃন্দ ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ।
বাংলার গেজেট/ এম এইচ