বাংলার গেজেট প্রতিবেদক : কয়েক মাস আগে এক রাতে বিরিয়ানি খেতে ইচ্ছে হয় সজিবের। বাজার থেকে ২ কেজি মুরগি কিনে স্ত্রীকে বলেন বিরিয়ানি রান্না করতে। রাত হয়ে যাওয়ায় তার স্ত্রী বিরিয়ানি তো রান্না করেনইনি বরং স্বামীকে গালমন্দ করেন। পরে রাগ করে সজিব নিজেই যান বিরিয়ানি রান্না করতে। কিন্তু বিরিয়ানি না হয়ে তা হয়ে যায় ভর্তার মতো। পরদিন ওই বিরিয়ানি দিয়ে চপ বানিয়ে প্রতিবেশীদের খাওয়ান সজিব।
সেই থেকে শুরু। ২ কেজি মুরগি দিয়ে শুরু করা সজিবের দোকানে এখন প্রতিদিন ৪০ কেজি মুরগির প্রয়োজন হয়। ২১ রকমের মশলা দিয়ে তিনি এই বিরিয়ানি রান্না করেন। এরপর জাফরাকান্দি মোড়ে বিকেল ৩ টা থেকে শুরু করেন সেই বিরিয়ানির চপ বানানো।
করোনার আগে পাটের ব্যবসার পাশাপাশি ছোট একটা হোটেলও ছিল সজিব মোল্লার। কিন্তু লকডাউনের ফলে সব ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। করোনায় সর্বস্বান্ত হয়ে যাওয়া সজিব বিরিয়ানি চপ বিক্রি করে, ৪ লাখ টাকা দেনা শোধ করে এখন স্বাবলম্বী। এই চপ খেতে ফরিদপুর, যশোর, চট্টগ্রাম থেকেও খাদ্য রসিকরা ভিড় করছেন তার দোকানে।
জনপ্রিয় ও সুস্বাধু এই বিরিয়ানি চপ খেতে দূর দূরান্ত থেকে আসা খাদ্য রসিকরা। আগতরা জানালেন, এই চপটি সব জায়গায় পাওয়া যায় না, স্বাদও ভিন্ন রকমের। তার এই উদ্যোগে পাশে থাকতে চায় জেলা সমাজসেবা অফিস। জেলা সমাজসেবার উপ পরিচালক এএসএম আলী আহসান জানালেন, সজিবের ব্যবসার পরিধি বাড়াতে সহজেই ঋণ ব্যবস্থা করে দেবেন তারা।
বাংলার গেজেট/ এম এইচ