বাংলার গেজেট আন্তজার্তিক ডেস্ক : প্রবাসেও দালালের ফাঁদ। মালয়েশিয়ায় কাগজপত্রহীন বাংলাদেশিদের বৈধ করার টোপ দিয়ে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে টাকা। আবার সময় মতো পাসপোর্ট হাতে না পাওয়ায় অনেক বৈধ প্রবাসীও অবৈধ হয়ে পড়ার শঙ্কায় আছেন। এ অবস্থায় হুমকির মুখে পড়েছে হাজার হাজার কর্মীর ভবিষ্যৎ।
মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসী শ্রমিকদের বৈধতা দিতে ২০২০ সালের ১৬ নভেম্বর ‘রিক্যালিব্রেশন লেবার’ ও ‘রিক্যালিব্রেশন রিটার্ন’ নামে দুটি প্রোগ্রামের ঘোষণা দেয় দেশটির সরকার। দফায় দফায় বাড়ানো ‘রিক্যালিব্রেশন রিটার্ন’ প্রকল্পটি নিবন্ধন করার শেষ সময় ছিল ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর। এই বৈধকরণ প্রক্রিয়ায় অল্প কিছু সংখ্যক শ্রমিক বৈধতা পেলেও, দেশটিতে কর্মরত হাজারো বাংলাদেশি কর্মী বৈধ হওয়ার আশায় প্রহর গুনছেন।
মালয়েশিয়ায় প্রতিনিয়ত প্রতারকদের ফাঁদে পড়ছেন অসহায় বাংলাদেশি প্রবাসীরা। বৈধ হতে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে দালালরা ভুয়া আবেদনপত্র দেখিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অংকের টাকা। আবার যারা রিক্যালিব্রেশন প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছেন তাদের অনেকেই ভিসা না পাওয়ায় গ্রেফতার আতঙ্কে ভুগছেন।
আবার দেশটিতে বসবাসরত অনেক বাংলাদেশি কর্মী পাসপোর্ট জটিলতায় অবৈধ হয়ে পড়ার শঙ্কায় রয়েছেন। তবে রিক্যালিব্রেশন প্রোগ্রামে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ বাড়াতে গেল এক বছরে ৩ লাখের বেশি পাসপোর্ট দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার।
তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়া সরকার আমাদের কূটনৈতিক পত্রের মাধ্যমে জানিয়েছে, ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর যে পাসপোর্ট মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে সেটাকে অটোমেটিক্যালি দুই বছরের জন্য রিনিউয়াল হিসেবে ধরে নিতে। কারণ বর্তমানে মালয়েশিয়া সরকারের নতুন পাটপোর্ট দেয়ার ক্ষমতা নেই।’
বর্তমানে দেশটিতে ৮ লাখের বেশি বাংলাদেশির বসবাস। তাদের এমন দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে বাংলাদেশ দূতাবাসসহ সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করছেন ভুক্তভোগীরা।
বাংলার গেজেট/ এম এইচ