মো. আজিজুর রহমান সিদ্দিক :
(পূর্ব প্রকাশিতের পর) তাকওয়া এবং এর স্তর সম্পর্কে ইতিপূর্বে আলোচনা হয়েছে, আজকের আলোচনা মুত্তাকীনদের সম্পর্কে, যাদের তাকওয়া বা আল্লাহর ভয় তৈরি হয়েছে তাদেরকে মুত্তাকীন বলে। মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনের সূরা বাকারার ১-৪ নং আয়াতে বর্ণনা করেছেন। মুত্তাকীনদের ৫টি গুন থাকে। যথা:-
 মুত্তাকীনগণ গায়েব বা আদৃশ্যে বিশ্বাসী অর্থাৎ যা দেখা যায় না, যা মোনা যায় না এবং যা অঙ্গ প্রতঙ্গ দ্বরা অনুভব করা যায় না অথচ এমন অচেনা ও অপরিচিত বিষয়ের উপর বিশ্বাস স্থাপন করবে মুত্তাকীগণ, যথা মহান আল্লাহ, ফিরিশতা, জান্নাত, জাহান্নাম ইত্যাদি অদৃশ্য বিষয়।
 সালাত কায়েম করা। অর্থাৎ একজন মানুষ শুধু বিশ্বাস এর দ্বারাই মুত্তাকীন হবে না। তাকে অনুগত্ত্যের বাস্তব নমুনা দেখাতে হবে সালাতের মাধ্যমে।
 আল্লাহর দেওয়া রিজিক থেকে ব্যায় করা অর্থাৎ তার যে সম্পদ আছে তা যে একমাত্র মহান আল্লাহর দান তা প্রকাশের জন্যই নিজ সম্পদ থেকে আল্লাহর পথে অসহায়দের মাঝে দান করতে হবে।
 আসমানি কিতাবে বিশ্বাস করা অর্থাৎ যুগে যুগে পথ ভোলা মানুষের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে যে সকল কিতাব নাজিল করা হয়েছে সেই সকল একই উৎস মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে যে সকল কিতাব নাজিল করা হয়েছে সেই সকল একই উৎস মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এ বিশ্বাস করতে হবে।
 সর্ব শ্রেষ্ট গুণ হলো তারা আখিরাত বা পরকালিন জীবনে সু-দৃঢ় বিশ্বাসী হবে। এ বিশ্বাস একজন মুত্তাকীনের ইহকালকে পরকালের সাথে এবং কর্মকে কর্মফলের সাথে সর্বোপরি সূচনাকে পরিনতির সাথে সমন্ধিত করে দেয়। কাজেই যাদের মাঝে এই গুণ গুলো পাওয়া যাবে মূলত তারাই সৎপথ প্রাপ্ত এক পরকালে সফলকাম হবে। মহান আল্লাহ আমাদের সকলকে মুত্তাকীন হওয়ার তাওফীক দান করুন। (আমিন!!!)
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, আহসান উল্লাহ কলেজ, খুলনা।