মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : ৬ বছর ধরে মোংলায় চিংড়ি ঘেরে গ্যাস উদগিরণস্থল পরিদর্শন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার। আজ বৃহস্পতিবার (০৭ জুলাই) সকাল পৌনে ৯টায় মিঠাখালী এলাকার পূর্বপাড়ার বাসিন্দা দেলোয়ার শেখের গ্যাস উদগিরণের চিংড়ি ঘেরটি পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী (এলজিইডি) মোঃ আলিমুজ্জামান, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামসহ অন্যান্যরা।
পরিদর্শন শেষে উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার বলেন, আমি সরেজমিন দেখে গেলাম, এরপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের বিশেষজ্ঞরা এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তিনি আরো বলেন, এমন গ্যাসের অস্তিত্ব সুন্দরবনসহ দেশের বিভিন্নস্থানেই রয়েছে।
এর আগে বাপেক্সের প্রাথমিক প্রতিনিধিদল, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ, বন্দর ও খনিজসম্পদ রক্ষা জাতীয় কমিটিও এ গ্যাস উদগিরণস্থল পরিদর্শন করেন।
তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ বন্দর ও খনিজসম্পদ রক্ষা জাতীয় কমিটি বাগেরহাট জেলা আহবায়ক নুর আলম শেখ বলেন, আমি নিজেও বাপেক্সের উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি এবং বিষয়টি জানিয়েছি। তাতে তাদের তেমন কোন সাড়া নেই। মুলত আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে এ নিয়ে চরম ধীর গতি হচ্ছে। এখন দেখছি শুধু পরিদর্শনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকে যাচ্ছে এ বিষয়টির কার্যক্রম। তিনি আরো বলেন, প্রতিনিয়ত গ্যাস উঠে তা আশপাশে ছড়িয়ে পড়ছে, এতে দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে, তারপরও সংশ্লিষ্টরা এনিয়ে এতো উদাসিন কেন বুঝতে পারছিনা।
বাপেক্সের মহাব্যবস্থাপক (ভূতাত্ত্বিক বিভাগ) মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে আমি শুনেছি এবং জেনেছি। এটির তদন্তের (পরীক্ষা-নিরীক্ষা) প্রয়োজন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও পেট্টোবাংলা কর্তৃপক্ষ থেকে এনিয়ে এখনও পর্যন্ত কোন নির্দেশনা পাইনি। তারপরও আমাদের জিএম ল্যাবরেটরি (জিওলজিকাল) হাওলাদার ওহিদুল ইসলাম আজ (বৃহস্পতিবার) না হয় কাল (শুক্রবার) যাবেন সেখানে। তার পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বাপেক্স কর্তৃপক্ষ।
বাংলার গেজেট/ এম এইচ