যশোর প্রতিনিধি : যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) তিন শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে চাঁদাবাজির মামলায় মাসুদ রানা আদালতে স্বীকারোক্তি জবানবন্দি দিয়েছে। তার মোবাইলের বিকাশ একাউন্টে আসা ১৫ হাজার টাকা তরিকুল নিয়েছে বলে জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রে মঞ্জুরুল ইসলাম আসামির জবানবন্দি গ্রহন শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। মাসুদ রানা সদরের চুড়ামনকাটি গোবিলা এলাকার ইউনুস আলীর ছেলে।
মাসুদ রানা জানিয়েছে, গত ২৬ জুন বিকেলে সে ও অপর একজন সলুয়া বাজারে ফ্যান কিনতে যায়। সন্ধ্যার পর মিজানুর তাকে ফোন করে জানায় তার বিকাশে ১৫ হাজার টাকা গেছে। তখন মোবাইলে ম্যাসেজ দেখে সে টাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। রাতে বাজার বাড়ি ফিরলে মিজানুর তার বাড়ি যেয়ে বিকাশে পাঠানো টাকা তুলে দিতে বলে। এ সময় মিজানুরের দেয়া তার গ্রামের খানের বিকাশের দোকানের নম্বরে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে দেয়। এ টাকা তার বিকাশে কে বা কারা পাঠিয়েছে জানতে চাইলে মিজানুর না জানিয়ে চলে যায়। পরে মাসুদ রানা জানতে পেরেছে বিশ্ববিদ্যালয়ে কারো কাছ থেকে এ টাকা বিকাশ করে এনেছে।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, যবিপ্রবির অনার্স ১ বর্ষের ছাত্র জহিরুল ইসলাম তার দুই বান্ধবী একই বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেরিন আফরোজ ও মাহমুদা খাতুন ২৬ জুন বিকেলে বিশ্বাবিদ্যালয় থেকে বেলতলা নামক স্থানে ঘুরতে যান। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বেলতলায় পৌঁছালে অপরিচিত কয়েক যুবক তাদের আটকে রেখে মোবাইলের বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে আসামিদের দেয়া বিকাশ অ্যাকাউন্টে ২০ হাজার টাকা নিয়ে নেয়। টাকা নেয়ার বিষয়টি কাউকে জানালে খুন জখমের হুমকি দিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়। পরবর্তীতে ভুক্তোভোগী জহিরুল ইসলাম স্থানীয় কয়েকজনকে জানিয়ে কোতয়ালি থানায় একটি মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনার সাথে জড়তি থাকার অভিযোগে মাসুদ রানা আটক ও আদালতের আদেশে একদিনের রিমান্ডে নেন। গতকাল রিমান্ড মেষে আসামি মাসুদ রানাকে আদালতে সোপর্দ করলে আদালতে ওই জবানবন্দি দিয়েছে।
বাংলার গেজেট/ এম এইচ