লাইফ স্টাইল ডেস্ক : ওজন বৃদ্ধি পাওয়া একটি বড় চিন্তার কারণ। আর এই ওজন বৃদ্ধির প্রধান কারণ অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস। যাদের রাত জাগার অভ্যাস রয়েছে, তাদের ঘুমাতে যাবার আগেও ক্ষুধা লাগে। যদিও পুষ্টিবিদদের মতে এটি অনেকটাই মনের ক্ষুধা। আর এই ক্ষুধার পাল্লায় পরেই অনেকে গ্রহণ করেন মেদ যুক্ত খাবার। যার ফলে বেড়ে যেতে পারে ওজন। তবে কেউ কেউ অনেকটা ইচ্ছে করেই ক্ষুধা চেপে রেখে ঘুমিয়ে পড়েন। এটিও শরীরের জন্য ক্ষতিকর।
তাই দেখে নেওয়া যাক মাঝরাতে কী খেলে ক্ষুধাও মিটবে ওজনও বাড়বে না-
অনেকেই মনে করেন কলা খেলে মোটা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমনটা কিন্তু একেবারেই নয়। এই ফল খেলেও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। কলায় পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার আছে যা দীর্ঘ সময়ের জন্য পেট ভর্তি রাখে। তখন অন্য খাবার খাওয়ার ইচ্ছেও কমে যায়। ফলে ওজন বাড়ার ভয়ও থাকে না।
গভীর রাতে ক্ষুধা পেলে কয়েকটা আমন্ড বাদাম খেয়ে নেওয়া যেতে পারে। এতে ক্যালরির পরিমাণ কম। এই বাদামে একসঙ্গে রয়েছে ফাইবার আর প্রোটিন। এই দুই উপাদানই ওজন কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া বাদামে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট।
পিনাট বাটারও পছন্দের তালিকায় থাকতেই পারে। প্রোটিনে ভরপুর চিনাবাদাম পেশি তৈরি করতে সাহায্য করে। এতে মজুত ট্রিপটোফান ঘুমের মধ্যেই ক্যালোরি ঝরাতে সাহায্য করে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পিনাট বাটার খেলেই কমবে ওজন। কলার সঙ্গে এই মাখন খেলে আরও ভাল ফল পাওয়া যায়। কলায় রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম এবং পটাশিয়াম। ট্রিপটোফানের সঙ্গে মিশে এই দুই উপাদান আরও তাড়াতাড়ি ওজন কমায়।
দই ঘুমের মধ্যে পেশি গঠনের জন্য খুব ভাল। রাতে এক বাটি দই খেলে দ্রুত হজম হয়। দইয়ে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট থাকার কারণে ওজন হ্রাস করতেও এটি খুব কার্যকর। তবে মিষ্টি দই নয়, টক দই কিংবা গ্রিক ইয়োগার্ট খেলেই মিলবে সুফল।
রাতে খাবার পরেও যদি খিদে পায় সে ক্ষেত্রে ছানা খাওয়া যেতে পারে। প্রোটিনে সমৃদ্ধ ছানা মানব দেহে পেশি সুগঠিত করতে সাহায্য করে। ঘুমানোর ৩০ মিনিট আগে মাত্র দু’চামচ ছানা খেলে বিপাক ক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। মেদ ঝরাতেও সাহায্য করে। সূত্র: আনন্দবাজার
বাংলার গেজেট/ এম এইচ