বাংলার গেজেট আন্তজার্তিক ডেস্ক : মসজিদের জমি কিনতে চলছে পিঠা বিক্রি। ইতালির রোমে মসজিদের অর্থ সংগ্রহে পিঠা উৎসবের আয়োজন করলেন প্রবাসী বাংলাদেশি নারীরা। বসন্তকালীন এই পিঠা উৎসবে প্রবাসীদের পাশাপাশি ভিড় করেন ইতালির নাগরিকরাও। দেশীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে এই উৎসব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
হরেক রকম পিঠার পসরা সাজিয়ে বসেছেন প্রবাসী বাংলাদেশি নারীরা। নিজ নিজ খরচে তৈরি করা পিঠা দিয়েই আয়োজন করা হয় বসন্তকালীন পিঠা উৎসবের। বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের উপস্থিতির পাশাপাশি ইতালির নাগরিকরা ভিড় করেন এই উৎসবে।
একজন প্রবাসী বাংলাদেশি বলেন, সাধারণত ইতালিতে শীতকালীন পিঠা উৎসব হয়ে থাকে। এবারের আয়োজন কিছুটা ব্যতিক্রম। ইতালির প্রশাসন তুচ্ছ কারণ দেখিয়ে একটি মসজিদ বন্ধ করে দেয় রোমে। ওই মসজিদের জায়গা কেনার অর্থ সংগ্রহের অংশ হিসেবেই এ উৎসবের আয়োজন।
আরেক প্রবাসী বলেন, বিদেশিদের মাটিতে বাংলাদেশকে আরও পরিচিতি এনে দেবে এ ধরনের আয়োজন।
অনুকূল আবহাওয়া এবং করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় ইতালির পর্যটনকেন্দ্রগুলোতেও এবার অনেক বেশি পর্যটকসমাগম হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশটিতে বসবাসকারী অধিকাংশ প্রবাসীর কর্মসংস্থান ও ব্যবসা পর্যটন নির্ভর হওয়ায় আশার আলো দেখছেন তারা।
ইতালির পর্যটনকেন্দ্রগুলোকে কেন্দ্র করে হাজার হাজার প্রবাসী বাংলাদেশির মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও কর্মসংস্থান গড়ে উঠেছে।
১৯৮০ এর দশকে বাংলাদেশিরা প্রথম ইতালিতে অভিবাসন শুরু করে। ১৯৮৯ সালের শেষদিকে এবং ১৯৯০-এর মাঝামাঝি সময়ে রোমে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সংখ্যা ২০০-৩০০ থেকে বেড়ে প্রায় এক-দ্বিগুণ হয়ে মহাদেশীয় ইউরোপের বৃহত্তম বাংলাদেশি সম্প্রদায় হয়ে উঠেছে। পরবর্তীকালে মূলত অনথিভুক্ত অভিবাসনের মাধ্যমে জনসংখ্যার আকার দ্বিগুণ হয়ে যায়, যা ১৯৯৫ সালের হিসাবে আনুমানিক ৮২,০০০ লোক।
বাংলার গেজেট/ এম এইচ