বাংলার গেজেট প্রতিবেদক : চলতি বছর হজযাত্রীদের জন্য সরকারিভাবে দুটি প্যাকেজ এবং বেসরকারিভাবে একটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে সরকার। এবার হজ করতে ব্যয় বাড়ার কারণও জানালেন মন্ত্রী।
আজ বুধবার (১১ মে) সচিবালয়ে হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নির্বাহী কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান সাংবাদিকের এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারিভাবে হজে যেতে প্রস্তাবিত প্যাকেজ-১ এ পাঁচ লাখ ২৭ হাজার ৩৪০ এবং প্যাকেজ-২ এ চার লাখ ৬২ হাজার ১৫০ টাকা খরচ হবে। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে একটি প্যাকেজ এ খরচ ধরা হয়েছে চার লাখ ৫৬ হাজার ৬৩০ টাকা।
সর্বশেষ ২০১৯ সালে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন হজযাত্রীরা। তখন হজ পালনে প্যাকেজ-১ এ চার লাখ ১৮ হাজার ৫০০ এবং প্যাকেজ-২ এ খরচ ধরা হয়েছিল তিন লাখ ৪৪ হাজার টাকা।
তিনি জানান, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের জন্য ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৫৩০ টাকার প্যাকেজ প্রস্তাব করা হয়েছে।
এবার খরচ কেন বাড়ল- জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘২০২০ সালে সৌদি রিয়ালের বিনিময় হার ছিল ২৩ টাকা। এখন সেটি ২৪ টাকা ৩০ পয়সা। এটি প্যাকেজের মূল্যবৃদ্ধির অন্যতম কারণ। এছাড়া সৌদি আরব পর্বের সকল খাতের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট, সার্ভিস চার্জ, কর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মোয়াচ্ছাছার খরচ দ্বিগুণ হয়েছে। বাড়িভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে।’
এ বিষয়ে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, সৌদির কিছু খরচ বেড়েছে। যেমন মোয়াল্লেম (যিনি হজের সময় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন) সার্ভিসের খরচ দ্বিগুণ হয়েছে। তাছাড়াও সেখানে বাড়িভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে। যেহেতু হজযাত্রীর সংখ্যা কম, এজন্য কাছাকাছি দূরত্বে যে বাড়িগুলো আছে, সৌদি সরকার শুধু সেগুলোই অনুমোদন দিচ্ছে। আবার দুই দেশের মুদ্রার মানের পার্থক্যের কারণেও প্যাকেজের দাম বেড়েছে।
বাংলার গেজেট/ এম এইচ